নিজস্ব প্রতিনিধি –
এই দুদিন ব্যাপী মেগা অনুষ্ঠানে কি কি থাকছে এই নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সংস্থার চেয়ারম্যান শ্রী অনিল কুমার দাস পুরো অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে জানান
আমার কর্মজীবনে অনুপ্রেরণা পেয়েছি তিনি হলেন মাননীয় শ্রী বিজয় রায় মহাশয় যিনি তাঁর জীবদ্দশায় আমাদেরকে অনেক আশীর্বাদ ভালোবাসা ও আন্তরিকতা দিয়ে তিনি শিখিয়েছিলেন পরের জন্য কাজ করাটাই নিজের জন্য কাজ করার শামীম সেই উপলক্ষ কে কেন্দ্র করেই এবছর আমরা তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৭ তারিখ ঠিক ১১ঃ০০ টার সময় উদ্বোধন করব। উনাকে ট্রিবিউট জানিয়ে এবং ওনার কর্মযজ্ঞ কে সম্মান জানিয়ে আমরা আমাদের এই প্রোগ্রাম শুরু করব। এই অনুষ্ঠানের শুরুতেই আমাদের বিশেষভাবে পারদর্শী কিছু শিশু থাকবে যারা ছবি আঁকবেন এছাড়াও ৭০ থেকে ৮০ জন যারা বড় শিল্পী যারা শিল্প জগতে চারিদিকে বাংলার প্রত্যন্ত জায়গায় তাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাদের

প্রত্যেকের রং তুলিতে আমাদের ক্যানভাস জেগে উঠবে এবং পরবর্তী ক্ষেত্রে এই ক্যানভাস আমাদের যেখানে অনাথ আশ্রম গড়ে উঠবে সেখানে প্রদর্শনী করা হবে। তার সাথে একটা ১২ ফুটের ক্যানভাস থাকবে যে ক্যানভাসে আমাদের বিশিষ্ট অতিথি এবং এই সমস্ত শিল্পীরা তাদের মনের মধ্যে যে ইচ্ছে মনের যে ধারণা তাদের মনের ফলন সমস্ত কিছুকেই ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলবে। সেই ক্যানভাসও আমরা নিয়ে চলে যাব ওই অনাথ আশ্রম প্রাঙ্গনে এবং সেখানকার মানুষজনের কাছে আমাদের উদ্দেশ্যকে তুলে ধরার চেষ্টা করব। তার সাথে সাথে আমরা ১৭ তারিখে রেখেছি আদিবাসী নৃত্য,পুরুলিয়ার ছৌ-নিত্য, হাতে থাকবে বিরাটি থেকে ডান্স গ্রুপ যারা নৃত্য পরিবেশন করবে, সাথে থাকবে গানের আসর। শিল্প এবং শিল্পকলা বিয়ে পশ্চিমবঙ্গের যে ভূমিকা, সেটাকে তুলে ধরাই আমাদের একমাত্র জায়গা। এখানে সেই প্ল্যাটফর্মটাকে কোনভাবেই হারাতে চাইনা।
আমরা চাই এই প্লাটফর্ম এর মাধ্যমেই যেন আমাদের অনাথ আশ্রমটাও আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারি। দ্বিতীয় দিন আমাদের ছোটদের বসে আঁকো প্রতিযোগিতা দু’বছর থেকে ১৬ বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের,তার সাথে সাথে আবার আমরা আদিবাসী নৃত্য এবং অন্যান্য শিল্পীদের নিত্য ও গানের অনুষ্ঠানে নিজেদেরকে সমাজের কাছে প্রতিষ্ঠিত করব। আমরা যেন আমাদের অনাথ আশ্রমের জন্য সমস্ত মানুষকে যেন আমরা আমাদের পাশে পাই।
রক্তদান শিবির সাধারণত আমরা প্রত্যেক বছর ডিসেম্বর মাসে করে থাকি এ বছরও আমরা ডিসেম্বরে করব। তার সাথে সাথে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির,বস্ত্রদান সমস্ত কিছু করে থাকি কিন্তু এবারের উদ্দেশ্যটা সম্পূর্ণ আলাদা একটা দায়িত্ববোধের ব্যাপার অনাথ আশ্রম একটা দায়িত্ববোধ। সেই দায়িত্ববোধের জন্যই আমরা বিভিন্ন সমাজের মানুষকে নিয়ে আমাদের একটি কমিটি তৈরি করতে চাই আর সেই ভাবে এগিয়ে চলার লক্ষ্য নিয়েই এই দুদিনের অনুষ্ঠান করছি। এই অনুষ্ঠানটা এই অনুষ্ঠানের মতই চলবে। আর আগামী দিনের যে প্রোগ্রামগুলো যেরকম ভাবে চলছিল সেই ভাবেই চলবে।



