নিজস্ব প্রতিনিধি –
গত ২৬ এবং ২৭ জুলাই দুদিন ধরে নাট্যকথা গ্রুপের ২৩ তম ন্যাশনাল লিটন থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। নাট্যকথা দপ্তর কোলাহল এবং তৃপ্তি মিত্র সভা ঘরে।
প্রথম দিন তারাশঙ্কর দিবস। দ্বিতীয় দিন প্রমথনাথ বিশির ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তীকে মাথায় রেখে প্রমথনাথ বিশী দিবস উদযাপিত হল।
উৎসবের শুভ সূচনা করলেন কথা সাহিত্যিক সুজিত খাঁ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ড. বসুমিতা তরফদার শ্যামসুন্দর গুই সত্য সাধন দাস সঞ্জয় ব্রহ্ম পার্থপ্রতিম দেব মুরারি মুখোপাধ্যায় প্রসুন মাঝি ও মৃণাল দে। সূচনায় সংস্কৃত স্তোত্র পাঠ করেন তরুণ ত্রিপাঠী। এই নাট্য অনুষ্ঠানে ছোট বড় এবং পাঠনাটক মিলিয়ে মোট পাঁচটি নাটক প্রযোজিত হয়। ছোটদের নাটক প্রমথনাথ বৃষ্টির গল্প থেকে সৌমিত্রকুমার চ্যাটার্জী নাট্যরূপ ‘ব্যাঙের বুদ্ধি’ শেখর দেবের নির্দেশনায় পরিবেশিত হয় দমদম কুড়ি নাট্য সংস্থার দ্বারা। এছাড়া মধুর রূপে বিরাজ একটি পাঠনাটক পরিবেশন করেন মুরারী মুখোপাধ্যায় এবং সঞ্চিতা কর দ্বৈত ভাবে আর সেই সঙ্গে সংগীত আলেখ্য পরিবেশন করেন তিরা। কলকাতা উত্তরণ তাদের নাটক পরিবেশন করেন। নাট্যকথা গ্রুপের পক্ষ থেকে পাঠনাটক হিসেবে তারাশঙ্করের গল্প সৌমিত্র কুমার চ্যাটার্জির নাট্যরূপ’ খুড়ো মশাই’ পরিবেশিত হয়। সেই সঙ্গে নাট্যকথার ‘রঞ্জন কোথায়’ নাটকটির ২৭তম শো পরিবেশিত হয়। রক্তকরবী নাটকের সম্পাদিত অনুরূপ সৌমিত্রকুমার চ্যাটার্জীর নির্দেশনা সম্পাদনায় নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। এ নাটকের বৈশিষ্ট্য হল চারজন মহিলা নন্দিনী চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবং দুজন পুরুষ রাজা চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নাটকটি দর্শক প্রশংসায় মুখরিত এবং সফল একটি প্রযোজনা।সৌমিত্রকুমার চ্যাটার্জী তার সম্পাদকীয় ভাষণে বলেন আমরা নাট্য উৎসব করি, নাটকের ভাবনার আদান-প্রদান এবং সংস্কৃতি আদান-প্রদানের জন্য। এ আমাদের কাছে সংস্কৃতি মিলন বিন্দু। দুদিনের অনুষ্ঠানে দর্শক ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।অনুষ্ঠানটি শেষ হয় রবি ঠাকুরের ‘আগুন জ্বালো… ‘গানটি উপস্থিত সকলের সমবেত কন্ঠ ধ্বনিতে।



